বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

কুলাউড়ার কৃতি সন্তান রিদি-ছবি : সংগৃহীত
‘দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ’ ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ শুরু হতে আর মাত্র কয়েকদিন বাকি। আগামী ১১ জুন থেকে শুরু হতে যাওয়া ৪৮ দেশের এই ঐতিহাসিক আসরকে ঘিরে যখন বিশ্বজুড়ে ফুটবল উন্মাদনা তুঙ্গে তখন বাংলাদেশের জন্য এসেছে গর্বের এক খবর।
মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার কৃতি সন্তান বিশ্ব ফুটবলের ভলেন্টিয়ার দায়িত্বে কুলাউড়ার রিদি২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের অফিশিয়াল ভলান্টিয়ার (স্বেচ্ছাসেবী) হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। কঠিন প্রতিযোগিতা পেরিয়ে তিনি এই আন্তর্জাতিক দায়িত্ব পাওয়ায় এলাকাজুড়ে বইছে আনন্দের জোয়ার।
যৌথ আয়োজক দেশগুলোর মধ্যে কানাডার টরন্টো ভেন্যুতে তিনি অফিশিয়াল প্রতিনিধি ও অ্যাম্বাসেডর হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন। বিশ্বমঞ্চে এই সুযোগ কুলাউড়া ও সিলেট অঞ্চলের জন্য বড় অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
প্রবাসী বাংলাদেশি রিদি বর্তমানে কানাডার টরন্টোতে পরিবারসহ বসবাস করছেন। তিনি কুলাউড়া সরকারি কলেজের সাবেক শিক্ষক শাহিন আহমদ এবং প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা তাহমিনা আক্তার চৌধুরীর কন্যা।
ভাষাগত দক্ষতা ও নেতৃত্বগুণের কারণে তিনি এই দায়িত্বে নির্বাচিত হয়েছেন বলে জানা গেছে। রিদি বাংলা, ইংরেজি, ফ্রেঞ্চ, কোরিয়ান ও হিন্দি ভাষায় দক্ষ। বিশেষ করে ফ্রেঞ্চ ভাষায় তার পারদর্শিতা তাকে আন্তর্জাতিক দায়িত্ব পালনে আরও এগিয়ে দিয়েছে।
ফিফা ভলান্টিয়ার হিসেবে তিনি টরন্টো ভেন্যুতে আগত অতিথি, খেলোয়াড় ও কর্মকর্তাদের সহায়তা ও দিকনির্দেশনার কাজ করবেন।
এর আগে কানাডায় ‘ইলেকশন কানাডা’ ও ‘ইলেকশন অন্টারিও’ এর অধীনে একাধিক নির্বাচনে প্রিসাইডিং অফিসার হিসেবেও সফলভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন তিনি।
ফিফার নিয়ম অনুযায়ী স্বেচ্ছাসেবীদের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ, আবাসনসহ বিভিন্ন সুবিধা প্রদান করা হয়। বিশ্বের শীর্ষ ফুটবলারদের কাছ থেকে কাজের অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগও থাকবে তার।
রিদি জানান, আন্তর্জাতিক এই প্ল্যাটফর্মে কাজ করার সুযোগ তার জন্য গর্বের বিষয় এবং তিনি বাংলাদেশের নাম বিশ্বমঞ্চে তুলে ধরতে চান।
তার এই অর্জনে কুলাউড়া ও পুরো মৌলভীবাজারে আনন্দের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা বলছেন, এটি তরুণ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার একটি বড় উদাহরণ।