বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

দেশে জ্বালানি তেলের চাহিদা পূরণ ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে একযোগে বিপুল পরিমাণ জ্বালানি নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়েছে পাঁচটি জাহাজ। এসব জাহাজে মোট ১ লাখ ৬৯ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল ও অকটেন রয়েছে। এর মধ্যে দুটি জাহাজ থেকে ইতোমধ্যে খালাস কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে জানা গেছে।
মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) এসব তথ্য নিশ্চিত করেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।
জানা গেছে, বন্দরের ডলফিন জেটিতে নোঙর করা দু’টি জাহাজ- ‘এমটি ওকট্রি’ ও ‘এমটি কেপ বনি’ থেকে সোমবার সকাল থেকেই জ্বালানি খালাস শুরু হয়। এর মধ্যে ‘এমটি ওকট্রি’ জাহাজে আনা হয়েছে প্রায় ৩৫ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল এবং ‘এমটি কেপ বনি’ জাহাজে রয়েছে প্রায় ৩৩ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল। ফলে এই দুটি জাহাজ থেকেই মোট প্রায় ৬৮ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল খালাস করা হচ্ছে।
এদিকে, বন্দরের বহির্নোঙরে আরও তিনটি জ্বালানিবাহী জাহাজ খালাসের অপেক্ষায় রয়েছে। এসব জাহাজের মধ্যে ‘এমটি লিয়ান সং হু’ জাহাজে রয়েছে প্রায় ৪১ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল, ‘এমটি প্যাসিফিক ইন্ডিগো’ জাহাজে রয়েছে প্রায় ৩৩ হাজার মেট্রিক টন ডিজেল এবং ‘এমটি নাভে সিয়েলো’ জাহাজে রয়েছে প্রায় ২৭ হাজার মেট্রিক টন অকটেন।
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)’র জনসংযোগ শাখার সহকারী মহাব্যবস্থাপক ফারজিন হাসান মৌমিতা জানান, দেশের জ্বালানি সরবরাহ নির্বিঘ্ন রাখতে দ্রুতগতিতে খালাস কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, বর্তমান চাহিদা বিবেচনায় এনে এসব জ্বালানি দ্রুত দেশের বিভিন্ন ডিপোতে সরবরাহ করা হবে।
বন্দর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, খালাস কার্যক্রম শেষ হলে জ্বালানিগুলো পর্যায়ক্রমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে পাঠানো হবে। এতে জাতীয় পর্যায়ে জ্বালানি মজুত আরও সুসংহত হবে এবং বিদ্যুৎ, পরিবহন ও শিল্পখাতে জ্বালানির নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।
অন্যদিকে, আরও কয়েকটি জ্বালানিবাহী জাহাজ ইতোমধ্যে বাংলাদেশের জলসীমায় প্রবেশ করেছে বলে জানা গেছে। সেগুলোও শিগগিরই বন্দরে নোঙর করে খালাস কার্যক্রমে যুক্ত হবে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই ধারাবাহিক সরবরাহ ব্যবস্থার ফলে আসন্ন সময়েও জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা অনেকটাই কমে আসবে।