বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

নওগাঁয় নিজ ঘর থেকে একই পরিবারের চার সদস্যের মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার পরপরই পুলিশের প্রাথমিক অভিযানে সন্দেহের ভিত্তিতে পরিবারের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আটজনকে আটক করা হয়েছে। এদিকে ঘটনাস্থল ঘিরে আরও রহস্যের সৃষ্টি করেছে ঘরের দেয়ালে লেখা একটি বার্তা। সেখানে লেখা ছিল, ‘নমির তুই বেঁচে গেলি, দলিল দে। এবার তোল পালা’।
নমির হোসেন হলেন নিহত হাবিবুর রহমানের বাবা। মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) ভোরে ফজরের নামাজের পর ছেলের ঘরের দরজায় রক্ত দেখতে পান নমির হোসেন। বিষয়টি তার সন্দেহজনক মনে হয়। ভেতরে ঢুকে তিনি দেখেন ছেলে হাবিবুর রহমান (৩৫), পুত্রবধূ পপি খাতুন (৩০) এবং তাদের ছেলে পারভেজ হোসেন (১০) ও মেয়ে সাদিয়া খাতুন (৩) এর নিথর দেহ বিছানায় পড়ে আছে।
নমির হোসেনের চিৎকারে প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন। খবর দেয়া হয় নিয়ামতপুর থানায়। পুলিশ এসে মরদেহগুলো উদ্ধার করে পোস্টমর্টেমের জন্য পাঠায়।
নমির হোসেন জানান, খুনিরা ঘরের দেয়ালে লিখে গেছে ‘নমির তুই বেঁচে গেলি, দলিল দে। এবার তোল পালা’।
তিনি জানান, তার ছয় সন্তানের মধ্যে হাবিবুর একমাত্র ছেলে। জমিজমা নিয়ে তার এক মেয়ের জামাইর সঙ্গে হাবিবুরের দ্বন্দ্ব চলছিল। জমি সংক্রান্ত একাধিক মামলাও হয়েছে আদালতে। থানায়ও অভিযোগ দেয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, জমি নিয়ে বিরোধের জেরেই তাকে হত্যা করা হয়েছে।
জানা গেছে, হাবিবুর রহমান গরু ব্যবসায়ী ছিলেন। মান্দার চৌবাড়িয়া হাটে গরু বিক্রি করে তিনি বাড়িতে ফেরেন সোমবার রাত ৮টার দিকে। তার কাছে গরু বিক্রির প্রায় আড়াই লাখ টাকা ছিল। হত্যার পর সেই টাকা এবং ঘরে থাকা স্বর্ণাঙ্কারও নিয়ে গেছে।
হত্যাকাণ্ডের পর সন্দেহজনকভাবে হাবিবুরের ওই বোনসহ পরিবারের ৮ সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ। তবে হত্যার প্রকৃত কারণ এখনো উদ্ঘাটন হয়নি। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার তদন্ত চলছে।
নিয়ামতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহাবুবুর রহমান জানান, হাবিবুর এবং তার স্ত্রীকে গলাকাটা অবস্থায় পাওয়া গেছে। আর তাদের দুই শিশু সন্তানের মাথায় আঘাতের চিহ্ন আছে।