বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন সহিংসতা ও অনিয়মের আশঙ্কা প্রকাশ করে ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, মুলাদী উপজেলার সফিপুর, নাজিরপুর ও বাটামারা ইউনিয়নসহ মোট ১৪টি ভোট কেন্দ্রকে ‘অতিমাত্রায় ঝুঁকিপূর্ণ’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। ইতোমধ্যে মাদারিপুর, শরীয়তপুরসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে পেশাদার ডাকাত ও বোমা তৈরিতে জড়িত একটি চক্র এলাকায় প্রবেশ করেছে। এতে করে ভোটাররা ভয়ের মধ্যে আছে। তাদের অনেকেই অস্ত্রধারী এবং স্থানীয়ভাবে তাদের উপস্থিতি জনমনে সংশয় তৈরি করেছে।
মঙ্গলবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বরিশাল নগরীর সদর রোডে অশ্বিনী কুমার টাউন হলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বরিশাল-৩ মুলাদী-বাবুগঞ্জ আসনে ১১ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী ও এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ এসব অভিযোগ করেন।
ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, প্রায় ৫ কোটি টাকার জালনোট এই আসনে প্রবেশ করেছে বলে আমাদের কাছে তথ্য রয়েছে। ইতোমধ্যে এসব অর্থের লেনদেন বিভিন্ন স্থানে শুরু হয়েছে। বিভিন্ন চরাঞ্চল ও বিচ্ছিন্ন এলাকায় অস্ত্র দিয়ে প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলছে। তবে এসব বিষয়ে এখনো যৌথ বাহিনীর কার্যকর অভিযান চোখে পড়েনি।
প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, অভিযান আরও জোরদার করতে হবে এবং ভোটারদের নিরাপত্তা ও আস্থার বিষয়টি নিশ্চিত করতে হবে।
নির্বাচনী প্রশাসন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কিছু প্রিজাইডিং অফিসার ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নাম তাদের কাছে রয়েছে, যারা ইতোমধ্যে দলীয় আনুগত্যের প্রমাণ দিয়েছেন। নিরপেক্ষ, ন্যায়নিষ্ঠ ও পেশাদার ব্যক্তিদের নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োগ দেয়ার দাবি জানান তিনি।
পূর্বের নির্বাচনের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নেয়ার আহ্বান জানিয়ে ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, ভোটকেন্দ্র দখল বা তথাকথিত ‘ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিং’ হলে তার ফল ভালো হবে না। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় আমরা হেরে গেলেও নির্বাচনে অনিয়ম হলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ও রাজনৈতিকভাবে আন্দোলন চলবে।