বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:
৫৫/এ, এইচ এম সিদ্দিক ম্যানশন, লেভেল-৭ পুরানা পল্টন
ঢাকা-১০০০, ফোন: +৮৮০২২২৬৬৪০০৫৬
e-mail: [email protected],
[email protected]

নলছিটি বিজয় উল্লাস চত্বরে আয়োজিত বিক্ষোভ কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন মাসুমা হাদি।
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ও জুলাই গণ–অভ্যুত্থানের অন্যতম মুখ শহীদ শরিফ ওসমান হাদির বোন মাসুমা হাদি বলেছেন, হাদি হত্যার বিচার চাইলেই বলা হচ্ছে আমরা নির্বাচন বানচাল করতে চাই। আমি তাদের বলতে চাই, আমরা না তারাই নির্বাচন বানচাল করতে চায়। ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন হতেই হবে; ভারত চায় ১২ ফেব্রুয়ারি এই দেশে নির্বাচন না হোক।
রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১টার দিকে ঝালকাঠির নলছিটি বিজয় উল্লাস চত্বরে আয়োজিত শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদির হত্যাকারীদের বিচারের দাবিতে এক বিক্ষোভ কর্মসূচিতে তিনি এসব কথা বলেন।
হত্যাকারীদের বিচার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে উল্লেখ করে মাসুমা হাদি আরও বলেন, বিচার নিয়ে আমরা কোনো স্পষ্ট বার্তা পাচ্ছি না। আমাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা ঘরে ফিরবো না। গত স্বৈরাচারের সময়ে অনেকেই গুম-খুন হয়েছে। সর্বশেষ দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের পক্ষে কথা বলতে গিয়ে আমরা ভাই খুনের শিকার হয়েছে। আজকে এই শহীদের কোনো বিচার পাচ্ছি না। পিলখানার শহীদদের কোনো বিচার হয় নাই। এত রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে, ১৭ বছরের গুম-খুনের ওপর দাঁড়িয়ে যে সরকারকে আমরা সমর্থন দিয়েছিলাম; আমরা ভেবেছিলাম পিলখানা হত্যার বিচার পাবো। আমরা ভেবে ছিলাম শহীদ আবরার ফাহাদ হত্যার বিচার পাবো। আপনারা দেখেছেন, চলচ্চিত্র জগতের উজ্জ্বল নক্ষত্র সালমান শাহ’র মা ২৪-এর পর কীভাবে তার ছেলে হত্যা বিচার নিয়ে লেগে পড়েছিলেন। উনি ভেবেছিলেন এই একটা সরকার আসছে, জনগণের সরকার অন্তত তার ছেলে হত্যার বিচার পাবেন। সালমান শাহ’র মা শেষ পর্যন্ত হতাশ হলেন, তার হত্যার বিচার হলো না।

নির্বাচনে সবাইকে ভোটকেন্দ্রে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে মাসুমা হাদি বলেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি আপনারা সবাই ভোটকেন্দ্রে যাবেন। বাংলাদেশের পক্ষে ভোট দেবেন। নির্বাচনের পরে যে সরকারই ক্ষমতাই আসুক ওসমান হাদির বিচার করতে হবে। আমরা শহীদ শরীফ ওসমান বিন হাদির ইনসাফের বাংলাদেশ চাই।
এসময় বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্য, নলছিটি ইসলামিয়া ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসা ও সরকারি নলছিটি মার্চেন্টস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।