Walton
ads
D Diamond

বাংলাদেশের জনগণ যা চায়, যুক্তরাষ্ট্রও তা চায়: জন কিরবি

অনলাইন ডেস্ক

বৃহস্পতিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৩, দুপুর ৪:৪১

11.jpg

বাংলাদেশের জনগণ যা চায়, যুক্তরাষ্ট্রও তা চায় বলে জানিয়েছেন দেশটির জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের (এনএসসি) কৌশলগত যোগাযোগ সমন্বয়ক জন কিরবি। বুধবার (৬ ডিসেম্বর) ওয়াশিংটন ডিসির ফরেন প্রেস সেন্টারে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।

ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নকারী রাশিয়ার অভিযোগ ও পিটার হাসের নিরাপত্তা উদ্বেগ এবং ক্ষমতাসীনদের বক্তব্যের বিষয়ে জানতে চান। জবাবে জন কিরবি বলেন, মার্কিন নৌবাহিনীতে থাকাকালে এ ধরনের অভিযোগের বিষয়ে তারা দুই সিলেবলের একটি শব্দ বলতেন। তবে তিনি এখন সেটা বলছেন না। তিনি শুধু বলবেন, এটি (অভিযোগ) পুরোপুরি মিথ্যা। রাশিয়ানরা জানে, এটি মিথ্যা। এটা নিখাদ রুশ প্রচারণা। তারা জানে, এটি মিথ্যা।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের জনগণ যা চায়, যুক্তরাষ্ট্রও তা চায়। আর তা হলো অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন। এ লক্ষ্যে মার্কিন রাষ্ট্রদূত ও তার দল কাজ করে যাচ্ছিল। তারা একইভাবে বাংলাদেশের সুশীল সমাজ, বিরোধী দল, সরকারসহ বাংলাদেশের সমাজের সব স্তরের মানুষের সঙ্গে কাজ করে যাবেন। বাংলাদেশের জনগণের গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষাকে যাতে সম্মান করা হয়, তা নিশ্চিতে তারা কঠোর পরিশ্রম করে যাবেন। তারা বাংলাদেশে এ কাজই করে যাচ্ছেন।

আরেক প্রশ্নে প্রশ্নকর্তা বলেন, ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন অনুসারে, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সমর্থনে ভারত, চীন ও রাশিয়া এক জোট হয়েছে। বাংলাদেশের বর্তমান সরকার আরেকটি একতরফা নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। বিরোধী দলের ওপর দমন–পীড়ন চলছে। বিরোধী নেতা-কর্মীদের কারাগারে পাঠানো হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র কি তার আগের অবস্থান থেকে পিছু হটছে? কারণ, আগে যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, তারা বাংলাদেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানে প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেবে।

জবাবে কিরবি বলেন, তারা বাংলাদেশে একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনে বিশ্বাসী। তারা এই লক্ষ্যে কাজ করে যাবেন। বিদেশি নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্র কারও পক্ষ নেয় না। বাংলাদেশের নির্বাচনের ক্ষেত্রেও যুক্তরাষ্ট্রের এ নীতিতে বদল আসেনি। তারা একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনকে সমর্থন করেন। তারা এই সমর্থন অব্যাহত রাখবেন। বাংলাদেশের জনগণের এ মৌলিক আকাঙ্ক্ষার সমর্থনে রাষ্ট্রদূত পিটার হাস ও তার দল যা করা দরকার, তাই করবে।